পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসার। খাদ্যনালীর নিম্নাংশ, পাকস্থলী, ডিউডেনামসহ অন্ত্রের ৫টি বিভিন্ন স্থানের যেকোন একটিতে ঘা বা ক্ষত তৈরী হলে আমরা মূলত এটিকে পেপটিক আলসার বলে থাকি। আমাদের পেট খালি থাকলে পেটের উপরিভাগে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হওয়া হল এর একেবারে সাধারণ লক্ষণ।
এছাড়াও আরো লক্ষণ এবং উপসর্গ থাকতে পারে।
➡️ সাধারণত পেটের উপরি ভাগের মাঝখানে বক্ষ পিঞ্জরের ঠিক নিচে পেটিক আলসারের ব্যথা অনুভব হয়। তবে কখনো কখনো ব্যথাটা পেছনের দিকেও যেতে পারে।
➡️ এ জাতীয় রোগী ক্ষুধার্ত হলেই প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে এবং খাবার খেলে সাথে সাথে ব্যথা কমে যায়।
➡️ অনেক সময় রাতের বেলা পেটে ব্যথার কারণে রোগী ঘুম থেকে জেগে উঠে কিছু খেলে ব্যথা কমে যায়।
➡️ পেপটিক আলসারের ব্যথা সাধারণত সবসময় থাকে না, একাধারে ব্যথাটা কয়েক সপ্তাহ চলতে থাকে তারপর রোগী সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়ে যায়, এ অবস্থা কয়েকমাস থাকে তারপর আবার কয়েক সপ্তাহ ধরে ঠিক আগের মতো ব্যথা অনুভব হয়।
➡️ পেপটিক আলসার ব্যথা সাধারণত দুধ, এন্টাসিড, খাবার খেলে কিংবা বমি করলে অথবা ঢেকুর তুললে ব্যথা কমে যায়।
➡️ এছাড়াও পেপটিক আলসারের রোগীদের মধ্যে বুক জ্বালা, অরুচি, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা মন্দা, কিংবা হঠাৎ করে রক্ত বমি অথবা পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হতে পারে।
পেপটিক আলসারের যে সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।
➡️ পাকস্থলী ফুটা হয়ে যেতে পারে
➡️ রক্ত বমি হতে পারে
➡️ কালো পায়খানা হতে পারে
➡️ রক্তশূন্যতা হতে পারে
➡️ পৌষ্টিক নালীর পথ সরু হয়ে যেতে পারে এবং রোগীর বার বার বমি হতে পারে
➡️ ক্যান্সার হতে পারে।
পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগের রয়েছে উন্নত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। এর জন্য এক্সপার্ট হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন।

